নোয়াখালীর মাইজদী শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার উত্তরে সোনাইমুড়ী উপজেলার ৭নং বজরা ইউনিয়নের বজরা নামক স্থানে প্রধান সড়কের পাশে ঐতিহাসিক বজরা শাহী জামে মসজিদ অবস্থিত। ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘল শাসনামলে (১৫২৬-১৭০৭ খ্রি.) সম্রাটের আগ্রহ ও পৃষ্ঠপোষকতায়

রাজকীয় চিত্রকরদের দ্বারা ইরানি, ভারতীয় ও ইউরোপীয় প্রভাবে বিভিন্ন রাজকীয় ভবন ও মসজিদ নির্মিত হয়েছে।
ঐতিহাসিক বজরা শাহী জামে মসজিদের বহু ভাঁজ খিলানের কোণায় ফুল ও লতার নকশা, আয়তকার খোপের মধ্যে খিলান নকশা, আয়তকার খোপের উপরিভাগে পাতা নকশা, পাতা নকশার ওপরে দড়ির মতো উদ্গত গোলাকার বাঁধনের খোপ ফুল ও লতা নকশা রয়েছে। মসজিদটির দৈর্ঘ্য ৩৩ ফুট, প্রস্থ ৩৩ ফুট। দেয়ালগুলো ৬ ফুট চওড়া। দক্ষিণ এবং উত্তর দিকে তিনটি করে দরজা রয়েছে। এগুলো খিলানের সাহায্যে নির্মিত। মসজিদের ইটগুলো বর্তমানের আধুনিক যুগের ইটের মতো নয়। ওগুলো মুঘল আমলের তৈরি ইটের মাপের। এর দৈর্ঘ্য ১২, প্রস্থ ১০ এবং চওড়া ২ ইঞ্চি। সমতল ভূমি থেকে মসজিদ নির্মিত স্থানটি আনুমানিক ৩০ ফুট সুউচ্চ টিলার ওপর অবস্থিত। তার ওপরে প্রায় ২৫ ফুট মসজিদ গৃহ।

কিভাবে যাওয়া যায়:

নোয়াখালীর মাইজদী শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার উত্তরে সোনাইমুড়ী উপজেলার ৭নং বজরা ইউনিয়নের বজরা নামক স্থানে প্রধান সড়কের পাশে ঐতিহাসিক বজরা শাহী জামে মসজিদ অবস্থিত।